কল্যাণীর জীববৈচিত্র

অনেক রকম, বিশেষত বড় ও পাতাওয়ালা গাছ আছে বলে এখানে পাখি দেখা যায় হরেক রকমের।পাতিকাক,দাঁড়কাক,চড়াই ছাড়া চিল, বাস তিতির, পায়রা,ঘুঘু,টিয়া,কোকিল,

পাপিয়া,বউ কথা কও, কানাকুবো  নানা ধরনের পেঁচা,বুলবুল,কাঠঠোকরা, ফিঙে,ছাতারে দোয়েল, হাড়িচাঁচা,বেনেবউ, তালচড়াই, ময়না টুনটুনি,দুর্গা টুনটুনি,বাবুই,
বাঁশপাতি,বসন্তবৌরি, কাজলপাখি,ও আর ও নানা ধরনের পাখি দেখা যায়। জলাজমির  আশেপাশে পানকৌড়ি, নানান চেহারার হাস, বক মাছরাঙ্গা,জলমুরগি, জল
পিপি,কাদাখোঁচা,এসব দেখা যায়।শীতকালের শামুকখল,চখাচখি, বাটান, গিরে হাঁস প্রভৃতি  দেখা যায়। কল্যাণীর লেক অঞ্চলে শীতকালে নানা ধরনের পরিযায়ী পাখি দেখা যায়।

অন্য বৈচিত্রের কথায় আসা যাক এই ছোট শহরে দুটি মাঠ আছে যেখানে প্রথম শ্রেণীর ক্লাব বা টিম  এসে ফেলে যায় ফুটবল ও ক্রিকেট।এই শহরে সংগীত,আবৃত্তি,নাটকের কালচার আছে ভালোই।এইসব বিষয়ে উৎসব, সেমিনার, ওয়ার্কশপ  লেগেই থাকে।প্রতিবছর ফল ও ফুলের প্রদর্শনী হয়।

   এখানে হিন্দু,মুসলমান,শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব সম্প্রদায়ের লোক থাকেন।সবাই মিলেমিশে এক সুন্দর মানাবিক  অস্তিত্বের  নিদর্শনী এই  কল্যাণী নগরী।
কল্যাণী শহর কলকাতা থেকে ৫০ কিমি উত্তরে গাঙ্গেয়  ও নিম্ন ও সমতল জমিতে অবস্থিত। পশ্চিমে  রয়েছে হুগলি নদী।

কল্যাণীর বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি মাঝারি মাপের শহর,একই সঙ্গে  মধ্য পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ পরিবেশের প্রবেশদ্বার।

   এই শহরে প্রতিটি বড় রাস্তার ধারে কোন বিশেষ রকমের গাছ শাড়ি দিয়ে থাকে। শহরের বাড়ি গুলিতে বিভিন্ন ধরনের গাছ দেখতে পাওয়া যায়। গাছপালা আছে কল্যাণী পার্ক গুলিতে। পরিকল্পিত নগরী বলে কল্যাণীর সব অঞ্চলে একাধিক পার্ক আছে।
তাদের নিজস্ব শিক্ষাকেন্দ্র ও অন্যান্য বড় জায়গাগুলিতেও তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনেক গাছপালা আছে। শহরের  অদূরে রয়েছে বিসিকেভি।
যেখানে শস্য,ফল আর মসলার চাষ ও  গবেষণা করা হয়।একটি চা বাগানো আছে।এসব কিছুই জীববৈচিত্র বাড়াতে সাহায্য করে।
   প্রাণী জগতের কথায় আসা যাক পুকুর, বেড়াল, ছাড়াও বনবিড়াল,ভাম, বেঁজি (ছোট এবং বড় ),
গন্ধগোকুল,ভোদর, ইঁদুর, মেঠো ইঁদুর  ইত্যাদি এখনো অনেক দেখতে পাওয়া যায়।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *