- কল্যাণী শহর পশ্চিমবঙ্গের ৯টি শহরের সাথে স্মার্ট সিটির আওতায় আসতে চলেছে। স্মার্ট সিটির মুখ্য উদ্দেশ্য হলো শহরে চলমানোতাকে উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গড়ে তোলা। কল্যাণী শহরকে স্মার্ট সিটি রুপে গড়ে তোলা ও আধুনিকরনের ক্ষেত্রে পৌরসভা বেশ কিছু “ভিশন ও মিশন ” অবদান রেখেছে

- কল্যাণীতে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিককে সর্বোচ্চ পরিষেবা প্রদানের জন্য পৌর এলাকায় ১৬৮ জন দৈনিক সেবা দানকারী কর্মী নিয়োগ করেছে। যাতে নাগরিকদের প্রাপ্ত পরিষেবা সঠিকভাবে সঠিক সময়ে পৌঁছে যেতে পারে।
- পৌরসভা দায়িত্ব গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জল সরবরাহের উন্নতি ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে কল্যানীর সমস্ত নাগরিকদের জন্য নিঃশুল্ক জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- গত আর্থিক বছরে কল্যাণী পৌরসভা অঞ্চলের ৫৪০ জন ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে মোট কুড়িটি আলাদা বিষয়ে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষিতদের অনেকেই বর্তমানে দেশের বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানিতে কাজ করছে অনেকে নিজস্ব স্টার্ট আপ খুলে নিজ উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করেছে।
- কল্যাণীতে রয়েছে একটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল ও ফুটবল স্টেডিয়াম। ভবিষ্যতে আরও দুটি স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

- একটি আন্তর্জাতিক মানের সুইমিং পুল, ওয়াটার পোল, এবং ড্রাইভিং পুল প্রস্তুতির পথে।
- এগুলো সম্পন্ন হওয়া কল্যাণীবাসিকর কাছে অত্যন্ত গর্বের। কল্যাণীতে মহিলা ক্রিকেট একাডেমির একটি কাজ অতি দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সারা পশ্চিমবঙ্গ এমনকি ভারতবর্ষের নারীদের ক্ষমতায়নের প্রশ্নে যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
- অ্যাথলেটিক্স অ্যাকাডেমীর কাজ শুরু হয়েছে, লন -টেনিস একাডেমির পরিকল্পনার রূপায়ণের পথে।

- হাউসিং ফর অল (HFA) প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী কল্যাণীর প্রত্যেক পরিবারের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করা যায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের এই মিশন সম্পন্ন হবে।
- কল্যাণী শহরে কোন বিজ্ঞানভিত্তিক ইলেকট্রিক চুল্লি না থাকায় এখানকার অধিবাসীদের আত্মীয় পরিজনের দেহ সৎকার করতে যেতে হয় হালিশহর ত্রিবেণীতে। অথচ এই কল্যাণীতে রয়েছে বেশ কয়েকটি নার্সিংহোম হাসপাতাল।এই সমস্যার সমাধানে কল্যাণী পৌরসভার ডাঙ্গার পূর্ববর্তী স্থানে দুই বিঘা জমি চিহ্নিত করেছে যাতে ভবিষ্যতে গড়ে উঠবে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিক ইলেকট্রিক চুল্লি।

- কল্যাণী পৌরসভার ক্রেতা,বিক্রেতা ও উৎপাদকের মধ্যে সমন্বয় ঘটনার জন্য “পৌর জীবিকা “কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।এখনো পর্যন্ত ৭৯২ জন বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত ব্যক্তি এই কেন্দ্রে তাদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। তার মধ্যে ৪৫৭ জন কাজও পেয়ে গেছেন।
- বাড়ি তৈরির জন্য পৌরসভার নিজস্ব স্কিম জে. এন.এন.আর.ইউ.এম প্রকল্পের মাধ্যমে পৌরসভার ৮ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে বাড়ি নির্মাণের জন্য।

- কল্যাণী পৌরসভার ২২৫৮ জন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে প্রত্যেক সদস্যরা দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনা চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।
- কল্যাণী সিএবি ক্রিকেট স্টেডিয়াম কে আন্তর্জাতিক মানে তৈরি করা হয়েছে। সিএবির কর্তারা মাঠ পরিদর্শন করে ভুয়াসি প্রশংসা করেন।সর্বভারতীয় স্তরের সি.কে নাইট এবং কোচবিহার ট্রফি কল্যাণী শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

- প্রিয় সিটি মিশন প্রকল্পের মাধ্যমে জে এন এম হসপিটাল এর সামনে সৌন্দর্যায়ন গড়ে তোলা হয়েছে। ওয়াটার এটিএম বাড়ানো হয়েছে,স্ট্যাইন্ডিং ফন্ট সৌন্দর্যায়ন কাজ হিমসাগর ও দুধ সাগর পুকুরের সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন, সৌর পথ বাতিস্তম্ভ নির্মাণ, ৪২ নম্বর রেলগেটের সৌন্দর্যায়ন,২১ নম্বর ওয়ার্ডে ইকো ফ্রেন্ড এবং ট্রান্সপোর্ট প্রকৃতির গড়ে তোলা হয়েছে।



